Published On: Sun, Sep 13th, 2015

নান ধরণের ঘরের সাজ

নান ধরণের ঘরের সাজ
ডাকটিকিট, কয়েন বা শুভেচ্ছা কার্ড থেকে শুরু করে অ্যান্টিক, যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহথকত শখই না আছে! শখ যা-ই হোক, সেগুলো বাবন্দি না রেখে ঘর সাজাতে ব্যবহার করুন।
* ডাকটিকিট জমানো অনেকেরই শখ। বিভিন্নভাবে ঘরে ডাকটিকিট সাজাতে পারেন। ফ্রেমে বাঁধিয়ে প্যাসেজের দেয়ালে সাজাতে পারেন। বসার ঘরের সেন্টার টেবিলের ওপর বিছিয়ে দিন। এবার এর ওপর গ্লাসটপ বসিয়ে দিন।
* শখ করে জমানো বিদেশি মুদ্রা বা কয়েনও সাজাতে পারেন একইভাবে। ওয়ালম্যাটের মতো বাঁধাই করে ঝুলিয়ে দিন ড্রয়িং বা প্যাসেজের দেয়ালে। আবার বসার ঘরের শোকেসে একটা ক্রিস্টালের পাত্রে অনেকগুলো রাখলেও বেশ দেখাবে।
* ছোটবেলা থেকে পাওয়া ঈদকার্ড, সঙ্গে জন্মদিনের শুভেচ্ছা কার্ড তো আছেই। আরো আছে বিভিন্ন দাওয়াতের কার্ড। সবই হয়তো সযতেœ জমিয়ে রেখেছেন। এগুলো দিয়েই হতে পারে দেয়ালের ব্যতিক্রমী সাজ। হোক সেটা ড্রয়িং, ডাইনিং কিংবা করিডর। প্রথমে দেয়ালে আধা ইঞ্চি পারটে বোর্ড লাগান। এবার বোর্ড পিন দিয়ে কার্ডগুলো ইচ্ছামতো সাজান।
* গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কিছু থাকলে বসার ঘরের একটা দেয়াল কিংবা প্যাসেজের দেয়ালে ঝুলিয়ে দিন। বাঁশি, কৃষকের মাথাল, হুঁকা, খড়ম, হারিকেন, কুলা- এসব জিনিস দেয়ালে ঝুলিয়ে দিন।
* আপনার সংগ্রহে হয়তো আছে বেশ কিছু অ্যান্টিক জিনিস। সাজিয়ে ফেলুন বসার ঘরের শোকেস, কর্নার টেবিল কিংবা প্যাসেজের কেবিনেটে। খাবার ঘরের তৈজসপত্রের সঙ্গে মানালে ডিনার কেবিনেটেও রাখতে পারেন।
* চাইলে পিতল, তামা বা কাঁসার সামগ্রী দিয়েও সাজাতে পারেন ঘর। বসার বা খাবার ঘরের শোকেসে, কর্নার টেবিলে ও লো হাইট কেবিনেটের ওপর সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন। প্যাসেজের দেয়াল ঘেঁষে সারিবদ্ধভাবে রেখে দিলেও মন্দ লাগবে না।
* রুপার তৈজসপত্র বা গয়না সংগ্রহে থাকলে তাও সাজাতে পারেন বসার ঘরে। কর্নার শোকেসে রাখুন। যেহেতু এ সামগ্রীগুলো দামি, তাই শোকেস যেন লক থাকে।
* কাচের চুড়ি দিয়েও সাজাতে পারেন ঘর। একটা বেতের ঝুড়ি বা ট্রেতে করে বিভিন্ন রঙের চুড়ি রেখে কর্নার টেবিলের ওপর রেখে দিন। চুড়ি দিয়ে বিভিন্ন রকম ঝুলন শোপিস বানানো যায়। যেকোনো ঘরের কর্নারে সিলিং থেকে ঝুলিয়ে দিন। বেশ লাগবে।

Share Button

About the Author

-