Published On: Sat, Oct 29th, 2016

জামালগঞ্জে মৌখিক অভিযোগে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার পরিদর্শন

মো. শাহীন আলম, ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি (সুনামগঞ্জ)::
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী নিয়ে মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন ডিলার পয়েন্টে পরিদর্শন করেন। গত কদিন ধরে জামালগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচী নিয়ে সাচনার রামনগর, ভীমখালীর লালবাজার সহ কয়েকটি ডিলার এলাকার এলাকাবাসীর মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলার একাধিক পয়েনেট পরির্দশন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। গত শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সাচনা লামাবাজারে অসিত রায় চৌধুরীর পয়েন্ট, ভীমখালী ইউনিয়নের লাল বাজারে আবু তাহেরের পয়েন্ট, কারেন্টের বাজারে শাহাব উদ্দিন, ফেনারবাঁকের লক্ষীপুর বাজারে গোলাম জিলানী আফিন্দির পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়েছে। পরির্দশনের সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রফিকুল হক, ভীমখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদির, স্থানীয় ওয়ার্ড আ:লীগের সভাপতি মালু মিয়া,ভীমখালীর ইউপি সদস্য তাহির আলী সহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। জানাযায়, উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৬০৫৭ জন উপকার ভোগী ১০ টাকা কেজিতে প্রতিমাসে প্রতিজনে ৩০ কেজি চাল পাচ্ছেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস সূত্রে জানাযায়, জামালগঞ্জ সদর ইউনিয়নে ১১২৭ জন, সাচনা বাজার ইউনিয়নে ১১১৬ জন, বেহেলী ইউনিয়নে ১২৭৯ জন, ভীমখালী ইউনিয়নে ১৫৪৫ জন, ফেনারবাক ইউনিয়নের ১০০০ জন উপকারভোগী আছেন।jamalganj-pic উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের জন প্রতিনিধিরা তালিকা জমা দেওয়ার পর তা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আর এই কাজ গুলো বাস্তবায়ন করছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস ৫টি ইউনিয়নে প্রতিটি ইউনিয়নে ২ জন ডিলার করে ১০ জন ডিলারের মাধ্যমে। সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী সফল করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ডিলার পয়েন্টে একজন তদারকি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।সাচনা খাদ্য গোদামের ওসিএলএসডি অসীম কুমার তালুকদার, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর বিষয়ে আমাদেরকে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খাদ্য গোদাম থেকে প্রতিটি ৩০ কেজির বস্তা ওজন পরিমাপ করে ডিলারদেরকে বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের পরিদর্শক রফিকুল হক বলেন, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীর বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক। জামালগঞ্জের প্রতিটি ডিলার পয়েন্টে তদারকি কর্মকর্তারা ও খাদ্য অধিদপ্তরের লোকজনও তদারকি অব্যাহত রেখেছে। সাচনা বাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম বলেন, আমার ইউনিয়নের রামনগর এলাকায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কিছু উপকার ভোগীকে চাল দেওয়া বন্ধ করেছিলো,আমি খাদ্য অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে আবারো উপকার ভোগীদেরকে চাল বিতরনের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

Share Button

About the Author

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>