Published On: Wed, Oct 5th, 2016

বেনাপোল বন্দরের ২৩ নং শেডে ক্ষতির পরিমান ১৩৭ কনসার্টমেন্টে ১৮ কোটি ৫০ লাখ সাংবাদিকদের জানালেন নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের তদন্ত কমিটি

বেনাপোল প্রতিনিধি : নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের বেনাপোল বন্দরের ২৩ নং ক্ষতিগ্রস্থ আগুন লাগা শেডের তদন্ত কমিটি দুইদিন তদন্ত শেষে বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোষ্ট প্যাচেঞ্জার টার্মিনালে সাংবাদিকদের সাথে বুধবার বিকালে পুড়ে যাওয়া শেড নিয়ে মতবিনিময় করেন।
তদন্ত কমিটির প্রধান নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের যুগ্মসচিব সাফায়েত হোসেন , বেনাপোল ল্যান্ডপোর্টের সচিব হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাশকের প্রতিনিধি শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম, ফায়ার সার্ভিসের যশোর জেলার পরিচালক পরিমল কুমার দত্ত বলেন কি ভাবে আগুন এর সুত্রপাত হয়েছে তা সঠিকভাবে বলা যাবে না এ মুহুর্তে। এটা সিগারেট এর আগুন, বৈদ্যুতিক শর্ক সার্কিট বা নাশকতা মুলক অগ্নিকান্ড তা অধিক তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। এ মুহুর্তে এ নিয়ে অন্যকোন মন্তব্য করা যাবে না।
যুগ্মসচিব সাফায়েত হোসেন বলেন আমাদের তদন্তে ১৩৭ টি কনসার্টমেণ্টে প্রাথমিক ক্ষতির পরিমান ১৮ কোটি ৫০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫ শত ২৬ টাকা। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন বেনাপোল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে কিছুটা অব্যবস্থাপনা রয়েছে যা আমরা উপলব্ধি করতে পেরেছি। এ নিয়ে আমরা ঢাকায় বসে আলোচনা করব। তিনি বলেন আপনারা বেশী বেশী করে বেনাপোল বন্দরের সমস্যার কথা পত্র পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলে তুলে ধরেন। আমাদের এ বন্দরের উন্নয়ন করার জন্য সহযোগিতা করেন। তাতে আপনার এলাকার বেনাপোল বন্দরের আরো উন্নতি হবে । অনতি বিলম্বে বেনাপোল বন্দর ফোরলেনে চালু হবে। ফোরলেনে চালূ হলে যানজটের নিরসন হবে।
অপরদিকে এ বিষয়ে ব্যাবসায়িরা বলছেন অন্যকথা। তারা বলছেন তদন্ত কমিটি যা বলছেন তা ঠিক নয়। ক্ষতির পরিমান ১০০ কোটি টাকার উপরে।

Share Button

About the Author